চমকে উঠেছিলাম! প্রায় তের মাস পরে দেখলাম .. এয়ারপোর্ট ক্রসিংয়ের দৈনিক পত্রিকা বিক্রেতা – হকার। গত দশ বছর একটি কাগজ সে দেখা হলেই দিয়ে দেয় … মাসে একবার ড্রাইভার টাকা দেয় – মনে মনে সমঝোতা। মাঝখানের সময়টিতে দেখতে না পেয়ে উদ্বিগ্ন ছিলাম .. না জানি মহামারীর স্রোত তাকে কোথায় নিয়ে গেছে … সে ফিরে এসেছে তার চেনা জায়গায় – সকাল বেলার ব্যবসায়ী।
মানুষ আবার ঘর থেকে বেরুচ্ছে … প্রয়োজন কিছুই মানেনা। সবাই সতর্ক থাকুন, যতখানি বাহিরে না থাকলে চলেনা ততটাই … সংযত থাকুন। কেনাকাটা অনলাইনে বা টেলিফোনে করুন — লেনদেন, আলাপ, বৈঠকে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করুন।
মহামারিকে সামাল দেওয়ার সাধ্য আমাদের জনচিকিৎসা কাঠামোতে মজবুত নয়। ব্যক্তি উদ্যোগ মূল ভরসা যা কঠিন সময়ে থেমে যেতে পারে।
সতর্কতা সবার আগে দরকার … ।
